রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
চলছে তীব্র গরমের হানা, ফ্যান ছাড়া যেন চলছে না এক মুহূর্তও!
অনলাইন ডেস্ক
আলমারিতে তুলে রাখা কাঁথা-কম্বল আর জানিয়ে দিচ্ছে, গ্রীষ্ম এসে গেছে পুরো দমে! ঝাঁঝালো রোদের উত্তাপে হাঁসফাঁস অবস্থা। তাই ফ্যানের বাজারে শুরু হয়েছে গরমের আগুনে ‘ঠান্ডা হাওয়া’ খোঁজার প্রতিযোগিতা। এবার শুধু সিলিং ফ্যান নয়, রিচার্জেবল ফ্যানের কদরও বেড়েছে চড়া তাপে। আধুনিকতা, বিদ্যুৎসাশ্রয় আর ফ্যাশনের মেলবন্ধনে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ব্র্যান্ড আনছে অভিনব সব মডেল।
এক সময় পাকিস্তান বা ভারতের ফ্যানেই ভরসা রাখত মানুষ। এখন সেই বাজার দখলে নিয়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড। ওয়ালটন, যমুনা, আরএফএল, কনকা, বিআরবি আর এনার্জিপ্যাকের ফ্যানে ভরসা রাখছেন অনেকেই।
ওয়ালটনের বিএলডিসি (Brushless DC Motor) প্রযুক্তির ফ্যান মাত্র ৩৫ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে, যা প্রায় ৬৫% বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। ওয়ালটনের রিচার্জেবল সিলিং ফ্যান চলে টানা ১২ ঘণ্টা, আর টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যান চলে ৪-৫ ঘণ্টা। তিন পাখা, পাঁচ পাখা, এমনকি রিমোট কন্ট্রোলসহ লাইট ফিচারও রয়েছে। দাম ২,৫০০ থেকে ৭,০০০ টাকা, সঙ্গে পাচ্ছেন পাঁচ বছরের মোটর রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি।
যমুনা ফ্যানের RPM ৩১০, মানে বাতাসের ঝাপটা একটু বেশি! শব্দহীনতা, ১২ বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি আর তুলনামূলক কম দাম—সব মিলিয়ে বাজেট ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ। রিচার্জেবল ফ্যানের দাম ৫,৫০০ টাকা।
কনকা ব্র্যান্ডের ৪৮ থেকে ৫৬ ইঞ্চির ফ্যানে রয়েছে ১০০% কপার তার ও অ্যালুমিনিয়াম ব্লেড, যা বিদ্যুৎসাশ্রয়ী এবং BSTI স্বীকৃত। দাম ২,৭৫০ থেকে ৩,৬৮০ টাকা। ওয়ারেন্টি ১০ বছরের।
আরএফএলের ভিশন ও ক্লিক ব্র্যান্ডের বিএলডিসি প্রযুক্তির ফ্যান মিলছে ৩,০০০-৪,৫০০ টাকায়। এনার্জিপ্যাকের ফ্যানে রয়েছে অ্যারোডায়নামিক পাখা, নিঃশব্দ হাওয়া, শতভাগ কপার তার ও ৭ বছরের গ্যারান্টি। দাম ৩,৫০০ থেকে ৭,০০০ টাকা।
বিআরবি ফ্যান পাওয়া যাচ্ছে ২,৮০০-৪,০০০ টাকায়। সুপারস্টার ফ্যান মিলবে মাত্র ২,৪০০ টাকায়ও। রিচার্জেবল, এক্সজস্ট ও পেডেস্টাল ফ্যানও আছে বাজেটের ভেতরে।
অন্যদিকে, নন-ব্র্যান্ড রিচার্জেবল পোর্টেবল ফ্যান ব্যাগে ভরেই রাস্তায় ব্যবহার করছেন অনেকে। রাজধানীর গরম, বাস বা ট্র্যাফিক—সব জায়গায় যেন সঙ্গে থাকে এই ‘হাওয়া বন্ধু’। এখন গরম মানেই শুধু ফ্যান নয়, স্টাইল আর স্মার্টনেসও!